পিতার পরিচয়ে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলমের অঢেল সম্পদ

0
214

বিশেষ প্রতিবেদক:

ই/এম-৩ এর সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী বর্তমানে ই/এম-৪ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম মেকানিক্যাল কার পার্কিং শেড নির্মাণকাজে অনিয়ম করে ২০ কোটি ও বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র থেকে ৫ কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন। এ কাজে তাকে সহায়তা করেছেন ঢাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ রতন।

কাজের গ্যাপ বাবদ HT এবং LT ক্যাবেল এর গ্যাপ বাবদ ৫ কোটি টাকা নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম।

কাজের গ্যাপ বাবদ HT এবং LT ক্যাবেল এর গ্যাপ বাবদ ৫ কোটি টাকা নিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম।

বাগেরহাট ৩ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য, খুলনার সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেকের ছেলে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো. তানভীর আলম

তিনি হলেন খুলনার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি তালুকদার আবদুল খালেকের ছেলে। তার হাতে কিভাবে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

৫ আগষ্টের পর মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে আবারও লাভজনক পোস্টিং পেয়েছেন তিনি। অথচ তিনি হলেন খুলনার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি তালুকদার আবদুল খালেকের ছেলে। তার হাতে কিভাবে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

অবৈধ অর্থ দিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আলিশান ফ্ল্যাটের বাসিন্দা তিনি। স্ত্রী শাকিলা ইসলাম ব্যাংক কর্মকর্তা। দুই সন্তান আছে তাদের।

এর আগে আজিমপুর দায়িত্বে থাকাকালে তার অনিয়ম উঠে এসেছে। আজিমপুর থাককালে নির্বাহী প্রকৌশলী তানভির আলমের অপকর্মের শেষ নেই। জানা গেছে সচিবালয়ে তিনি বড় অংকের টাকা দিয়ে বদলি হয়ে আসেন। এসেই শুরু করেন নিম্নমানের কাজ। যার ফল সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা।

অবৈধ অর্থ দিয়ে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন তিনি। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আলিশান ফ্ল্যাটের বাসিন্দা তিনি। স্ত্রী শাকিলা ইসলাম ব্যাংক কর্মকর্তা। দুই সন্তান আছে তাদের।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আজিমপুর সরকারি কলোনির ভেতরে আবাসিক ফ্ল্যাট নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় মেকানিক্যাল কার পার্কিং শেড নির্মাণ করা হচ্ছে। ১২ তলা স্টিল স্ট্রাকচারের পার্কিং ভবনের জন্য ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু কাজ না করে বিল তোলার অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ডিপিপিতে ২৮৮ গাড়ি রাখার স্থানের কথা বলা হলেও যেটি নির্মাণ করা হচ্ছে সেখানে রাখা যাবে ২৪০টি গাড়ি। এতে প্রায় ১১ কোটি টাকা কম খরচ হয়। কিন্তু সাশ্রয় হওয়া টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মসাতের আয়োজন করা হয়েছে। পার্কিংয়ের রং করা ও কভার তৈরির জন্য দুটি দরপত্র আহ্বান করা হয়। অথচ রং ও কভার তৈরির কাজ প্রকল্পের মূল কাজের মধ্যেই রয়েছে। ফলে একই কাজ দুইবার দেখিয়ে ঠিকাদার ও নির্বাহী প্রকৌশলী তানভির আলম এই ১১ কোটি টাকা ভাগবাটোয়ারার আয়োজন করেন। পরে এসব অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত কমিটি করার নির্দেশনা দেয় সংস্থাটি।

এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হয় তার সঙ্গে।