
বিশেষ প্রতিনিধি:
জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেলেঙ্কারির তদন্ত পক্ষে আনার সফলতা উদযাপন করলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌলশী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী ও তার সহযোগীরা। রীতিমতো ঘটা করে প্রধান প্রকৌশলীর বাসায় গানের আসর বসিয়েছে গানে গানে তারা দুর্নীতি ধামাচাপা দেয়ার ঘটনাকে উৎসবের রংয়ে রাঙ্গান। এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তিনি সরকারের আস্থাভাজন হওয়ার চেষ্টায় গোপন মিশন নিয়ে নেমেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ জন্য গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
জানা গেছে, ৫ আগষ্টের পর অন্তবর্তী সরকারের একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টাকে ম্যানেজ করে (অর্থের বিনিময়ে) প্রধান প্রকৌশলীর পদ হাতিয়ে নেন মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তিনি বর্তমান গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীর সান্নিধ্যে যাওয়ার জন্য কৌশলে বিভিন্ন বিলাসী এবং আজগুবি প্রকল্পের ফর্মুলা উপস্থাপন করছেন। যেখানে সরকারের অর্থ অপচয়ের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা ছাড়া অন্য কোনো কাজে আসবে না।
অভিযোগ আছে, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজজামান চৌধুরী দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সভাপতি হিসেবে যেসব টেন্ডার অনুমোদন করে থাকেন, তার প্রতিটি টেন্ডার থেকে তিনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে ২ পার্সেন্ট নিয়ে থাকেন। এই বিষয়টি সরকারের দুটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

অষ্ট্রেলিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী কাছের লোকজনকে বলে থাকেন, যেই দেশের সরকারের বহু এমপি, মন্ত্রী বিদেশি নাগরিক, সেই দেশের গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী বিদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হলে কি যায় আসে।
অষ্ট্রেলিয়ার স্থায়ী বাসিন্দা গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী কাছের লোকজনকে বলে থাকেন, যেই দেশের সরকারের বহু এমপি, মন্ত্রী বিদেশি নাগরিক, সেই দেশের গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী বিদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হলে কি যায় আসে!
এখানে উল্লেখ্য যে, গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশনকক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সংস্কারের কাজটি অপেশাদার অনভিজ্ঞ আমানত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। যাদের পূর্বে এই ধরণের কাজের অভিজ্ঞতাই ছিলো না। শুধু প্রধান প্রকৌশলী নিজেই এই কাজের অনুমোদন করেন। বিনিময়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। এসব অনৈতিক কাজে তার বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গণপূর্তের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) সারোয়ার জাহান। সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেলেংকারির তদন্ত তাদের পক্ষে আনতে কাজ করেছেন তারা। এ উপলক্ষ্যে প্রধান প্রকৌশলীর বাসভবনে গানের জলসার আয়োজন করেন খালেকুজ্জামান চৌধুরী। সাউন্ড সিস্টেমের তদন্ত পক্ষে আসা উদযাপনের আনন্দে বাসায় এই পার্টির আয়োজন করেন তিনি। এখানে উল্লেখ্য যে, গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশনকক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সংস্কারের কাজটি অপেশাদার অনভিজ্ঞ আমানত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। যাদের পূর্বে এই ধরণের কাজের অভিজ্ঞতাই ছিলো না। শুধু প্রধান প্রকৌশলী নিজেই এই কাজের অনুমোদন করেন। বিনিময়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। এসব অনৈতিক কাজে তার বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন গণপূর্তের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (সংস্থাপন) সারোয়ার জাহান। সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেলেংকারির তদন্ত তাদের পক্ষে আনতে কাজ করেছেন তারা। এ উপলক্ষ্যে প্রধান প্রকৌশলীর বাসভবনে গানের জলসার আয়োজন করেন খালেকুজ্জামান চৌধুরী। সাউন্ড সিস্টেমের তদন্ত পক্ষে আসা উদযাপনের আনন্দে বাসায় এই পার্টির আয়োজন করেন তিনি।
গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশনকক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সংস্কারের কাজটি অপেশাদার অনভিজ্ঞ আমানত এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে দিয়েছেন। যাদের পূর্বে এই ধরণের কাজের অভিজ্ঞতাই ছিলো না। শুধু প্রধান প্রকৌশলী নিজেই এই কাজের অনুমোদন করেন। বিনিময়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা উৎকোচ গ্রহণ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।
এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে খালেকুজ্জামান চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি গণপূর্তের সংস্থাপন এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ সারওয়ার জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করে কথা বলার পরামর্শ দেন। পরববর্তীতে সারওয়ার জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-‘চিফ স্যারের কমিশন কিংবা বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে তার মন্তব্য করা উচিত নয়।
(আগামী পর্বে: অতীতে অনেক বিতর্কিত কর্মকান্ডের অভিযোগ আছে খালেকুজ্জামান চৌধুরীর)




