
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত হয় বৈদ্যুতিক স্পার্ক (স্ফুলিঙ্গ) থেকে। সাধারণত সকেট-প্লাগে লুজ কানেকশন (দুর্বল সংযোগ), কেব্লে ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ ইত্যাদি কারণে বৈদ্যুতিক স্পার্ক হয়ে থাকে। সচিবালয়ে নিম্নমানের ইলেকট্রিক কাজের কারণেই আগুন লেগেছে বলে অনেকের ধারনা। নিম্ন মানের ইলেকট্রিক পন্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে অনেকের ধারনা। সচিবালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো: তানভীর আলম এর তত্ত্বাবধানে কিভাবে নিম্নমানের পন্য ব্যবহার করা হয়েছে তা জানেন নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আলম। নিয়াজ মো: তানভীর আলম, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত বিভাগ-৩, বর্তমানে ই/এম বিভাগ-৪ এ কর্মরত।
গণপুর্তের এই নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো: তানভীর আলম হলেন খুলনার সাবেক মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের ছেলে। তার হাতে কিভাবে সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এর আগে আজিমপুর দায়িত্বে থাকাকালে তার অনিয়ম উঠে এসেছে। আজিমপুর থাককালে নির্বাহী প্রকৌশলী তানভির আলমের অপকর্মের শেষ নেই। জানা গেছে সচিবালয়ে তিনি বড় অংকের টাকা দিয়ে বদলি হয়ে আসেন। এসেই শুরু করেন নিম্নমানের কাজ। যার ফল সচিবালয়ে আগুন লাগার ঘটনা।
আজিমপুর (ইএম বিভাগ-৩) অনিয়ম: লিফটের টেন্ডারে কারসাজি
দরপত্রের শর্ত ভেঙে সরকারি ভবনে ৬৮টি লিফট স্থাপনের কাজ রওশন এলিভেটরসকে দেন নির্বাহী প্রকৌশলী নিয়াজ মো: তানভীর আলম। চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিলেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়া প্রতিষ্ঠানকেই ‘যোগ্য’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মতিঝিলের এজিবি কলোনি ও আজিমপুর সরকারি কলোনিতে মোট ৬৮টি লিফট স্থাপনের জন্য দরপত্রটি আহ্বান করে গণপূর্ত অধিদফতর। এর মধ্যে ১৫টি বসবে মতিঝিলে ও ৫৩টি আজিমপুরে।

তানভীর আলমের বাবা (বাগেরহাট ৩ আসন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য, খুলনার সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেক) তবে অধিদপ্তরের কাগজপত্রে টেম্পারিং পিতা হিসেবে পরিচিত এমনকি পাসপোর্টেও নিজ পিতার নামের বদলে তাকে পিতা সাজিয়েছেন, তানভীর আলমের মা খুলনা ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী সম্পার ঘনিষ্ঠবান্ধবীর হওয়ায় গণপূর্ত অধিদপ্তরে শেখ পরিবারের বংশধর পরিচয়ে ব্যাপক অধিপত্য বিস্তার করেছে, যার ফলে একই চেয়ারে পাঁচ বছর সাত মাস যাবৎ বহাল তবিয়তে ছিলেন। তৎকালীন সময়ে সচিব শহীদুল্লাহ খন্দকারের কালেক্টরেট দায়িত্ব ও নেপথ্যে প্রধান প্রকৌশলীর দরবারের মুরিদ।
আগামীকাল পড়ুন: দ্বিতীয় পর্ব
কার পার্কিং এ ২০ কোটি ও বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রে ৫ কোটি টাকার দুর্নীতি
এই কাজটি করেছেন সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ রতন। কাজের গ্যাপ বাবদ এইচটি এবং এলটি ক্যাবল এর গ্যাপ বাবদ ৫ কোটি টাকা নিয়েছেন নিয়াজ মো: তানভীর আলম।





