

বিশেষ প্রতিবেদক:
তিনি গণপূর্তের উপ সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান। বর্তমানে আছেন জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায়। এর আগে ছিলেন সাভার গণপূর্ত উপ বিভাগ-২ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আশুলিয়া বাইপাইল উন্নয়ন কাজের নির্মাণ ভ্যালুয়েশন করে ওই এলাকার বিভিন্ন মার্কেট এবং বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সাভার গণপূর্ত বিভাগ-২ এর উপ সহকারী প্রকৌশলী মো: মিজানুর রহমানের এসব কর্মকান্ড ওপেন সিক্রেট। তারপরও এখনো বহাল আছেন তিনি। শুধু তাই নয়, সরকারি চাকরি করে ব্যক্তিগত ডেভলপার কোম্পানি খুলে হাউজিং ডেভলেপের ব্যবসাও আছে তার। হাউজিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে ডালাস এর মাধ্যমে ডিওএইচএস-এ বর্তমানে ৪ টি প্লটে হাউজিং ব্যবসা চলমান আছে তার। বাজার মূল্য অনুযায়ী প্রায় ৩ কোটি টাকা দামের ৩৫০০ বর্গফুটের আলিশান ফ্ল্যাটে বসবাস করছেন তিনি। এসব টাকার উৎস কি, তা নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন। নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ আছে তার। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকে। তাকে নোটিশ দেয়াও হয়। তবে দুদকের তদন্ত ধামপাচা দিতেও পটু তিনি।
এসব বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোহ করা হয় তার সঙ্গে।




